কোম্পানীগঞ্জ থানার ১০ পুলিশ উপ-পরিদর্শকের একযোগে বদলী আবেদন
নোয়াখালী প্রতিনিধি ::
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানায় কর্মরত ৭জন পুলিশের উপ—পরিদর্শক ও ৩জন উপসহকারী পরিদর্শক একযোগে বদলীর আবেদন করেছেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে গণহারে তারা এ বদলী চাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার্ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি । এরা সকলেই ব্যক্তিগত সমস্যা দেখিয়ে বদলীর আবেদন করেছেন।
এদিকে ১০জন পুলিশ অফিসার একযোগে বদলীর আবেদন নিয়ে থানার সকল অফিসারের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বদলী চাওয়া অফিসাররা হচ্ছেন, পুলিশের উপ—পরিদর্শক সরোজ রতন আচার্য্য,উপ—পরিদর্শক জাকির হোসেন, উপ—পরিদর্শক শাহীদ হোসাইন, উপ—পরিদর্শক মোঃ নিজাম উদ্দিন, উপ—পরিদর্শক এমরান হোসাইন, উপ—পরিদর্শক রিয়াদুল হাসান, পুলিশের উপ—সহকারী পরিদর্শক বাবুল মিয়া বেগ, উপ—সহকারী পরিদর্শক মোঃ আবদুল জাহের, উপ—সহকারী পরিদর্শক মোঃ জহির হোসেন, উপ—সহকারী পরিদর্শক রবিউল আলম।
তবে স্থানীয়দের ভাষ্য, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অফিসাররা নিজেদের মানিয়ে নিতে না পেরে অন্যত্র চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বদলীর দরখাস্ত পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হঠাৎ করে থানায় কর্মরত বেশ কয়েকজন পুলিশ অফিসার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে একযোগে অন্যত্র বদলীর আবেদন জমা দিয়েছেন। তবে কি কারণে তারা গনহারে বদলী চাচ্ছেন তা তিনি জানাতে পারেননি।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বদলী চাওয়া এক পুলিশ অফিসার বলেন, কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকায় চলমান পরিস্থিতিতে সম্মানের সহিত চাকুরী করা এখন দুষ্কর। যে কারণে আমরা সম্মান থাকতে চলে যেতে চাচ্ছি।
উল্লেখ্য, নোয়াখালী সদরের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী ও ফেনী সদরের সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারীর অপরাজনীতি বন্ধসহ তাদের টেন্ডার বাণিজ্য, চাকরী বাণিজ্য ও কমিশন বাণিজ্য বন্ধের দাবীতে গত দুইমাস থেকে সেতুমন্ত্রীর ছোটভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা আন্দোলন করে আসছেন।
এসময় তিনি ওই দুই নেতার সাথে আঁতাত করার অভিযোগ এনে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম, পুলিশ সুপার মো: আলমগীর হোসেন, কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি এবং পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ রবিউল হকের প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন।



Post Comment