নোয়াখালীর সুবর্ণচরে স্বামীকে গলা কেটে হত্যা মামলার বাদীনি নিজেই আসামী
সুবর্ণচর নোয়াখালী:
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার সাতাইশদ্রোণ এলাকায় গভীর রাতে স্বামীকে গলা কেটে হত্যা মামলার বাদীনি নিজেই হত্যা মামলার আসামী।
২০১৮ সালের ২৫ জুলাই রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় সাহাব উদ্দিন(৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। সেই মামলা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ একাধিক সংস্থার দীর্ঘ তদন্তের পর পুলিশ ইনভেস্টিগেশন অব ব্যুরো(পিবিআই)তদন্ত করে নিহতের স্ত্রী আলেয়া বেগমের সম্পৃর্কতা পায়। পিবিআই এর তদন্তে স্ত্রীকে মামলার আসামী করা।
ঐ মামলার অন্য আসামীরা হলেন- আফসার হোসেন সাদ্দাম , ইউছুফ, আবুল হোসেন।
ভিকটিম সাহাব উদ্দিন ওই গ্রামের নূর মোহাম্মদ লেদু মিয়ার ছেলে।
নিহতের ছোট মো.আবদুল বলেন, আসামী আফসার হোসেন সাদ্দাম ও বাদীনি আলেয়া বেগমের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত পরকীয়া ছিলো। পরকীয়ার কারণে তার ভাইকে রাতের আধাঁরে গলাকেটে হত্যা করে। এই মামলায় পারিবারিকভাবে আলেয়া বেগমকে তখনই সন্দেহ হলে মামলার তদন্তের কাজের কারণে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসেনি। পরে পুলিশ সুপার ও আদালতের দীর্ঘ পর্যবেক্ষণের পরে পিবিআই এর কাছে মামলা যাওয়ার কারণে মুল হত্যা কান্ডের সাথে জড়িতদের নাম উঠে আসে। এবং সে পরকীয়া সূত্র ধরে মামলা তদন্তের কারণে বাদিীনি আলেয়া বেগম কে তাঁর বড়ভাই সাহাব উদ্দিন হত্যার সাথে জড়িতের বিষয়টি উঠে আসে। পিবিআই এর তদন্তে বাদীনিকে আসামী করার সুপারিশ করা হলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে । বাদিনি গ্রেফতারী পরোয়ানা পর আলেয়া বেগম আদালতে আন্তসর্মপন করতে গেলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত সাহাব উদ্দিনের ঘরে ঢুকে ঘুমের মধ্যে গলাকেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে ঘরে থাকা সাহাব উদ্দিনের স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে।
২০১৮ সালে দায়িত্বে থাকা চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ইকবাল হোসেন জানান,
একই বাড়ির সাহাব উদ্দিনের চাচাতো ভাই সাদ্দাম (৩০) নিহতের স্ত্রী আলেয়া বেগমকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করতো। এই বিষয়ে ভিকটিমের পক্ষ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থানায় অভিযোগ করেছিলেন।



Post Comment