ভূমিহীন-গৃহহীন ৮৮ পরিবার পেল ঘর ও জমি

প্রতিনিধি, সুবর্ণচর, নোয়াখালী::


মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের “ক” শ্রেণির তালিকায় দ্বিতীয় ধাপে ৮৮ পরিবার পেল ঘর ও জমি। ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম ভার্চুয়ালী উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রবিবার (২০ জুন) সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ হল রুমে সকাল ১০ ঘটিকায় ভার্চুয়ালে যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন। প্রতিটি ইউনিয়নের উপকারভোগীগণের উপস্থিতিতে উপজেলার সর্বমোট “ক” শ্রেণির তালিকায় ৫০৭ টি পরিবারের মধ্যে ৮৮ টি পরিবারকে গৃহ ও ভুমির দলিলসহ কাগজপত্র হস্তান্তর করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: তরিকুল আলম, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলার চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এএইচএম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৈতী সর্ববিদ্যা, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো: আরিফুর রহমান, চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জিয়াউল হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো: কাউছার আহমেদ, জেলা আওয়ামীলীগে সদস্য মো: আবদুর রব, উপজেলা মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান সালমা চৌধুরী, সৈকত সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো: মোনায়েম খান’সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও প্রতিনিধিগণ এবং সুবর্ণচরে কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো: আরিফুর রহমান বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ভূমি ও ঘর প্রদান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এক অনন্য উদ্যোগ। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর, জনপ্রতিনিধি সহ সর্বস্তরের মানুষ। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে ভূমিহীন বাছাই থেকে শুরু করে খতিয়ান প্রস্তুত পর্যায় পর্যন্ত নিরলস পরিশ্রম করেছেন উপজেলা ভূমি অফিস এর সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী। সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
দিনশেষে একটি দরিদ্র মানুষের মুখে হাসিটি ই হোক একমাত্র প্রাপ্যতা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসন এর উপর আস্থা রাখায় সেই আস্থার প্রতিদান দিতে ও সঠিক ব্যক্তি নির্বাচন করতে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। যারা বিভিন্ন ভূমিহীন এর তথ্য দিয়ে, ভূমি দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞ ও ঋণী।

উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা চৈতী সর্ববিদ্যা বলেন, উপজেলার সর্বমোট “ক” শ্রেণির তালিকায় দ্বিতীয় ধাপে ৫০৭ টি ঘরের মধ্যে ৮৮ টি ঘর প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালে উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নের ৮৮টি উপকারভোগীদের মাঝে ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও প্রথম ধাপে ২০ টি ঘর দলিল সহ বিতরণ করা হয়। এবং উপজেলার ৫০৭ টি ঘরের মধ্যে বর্তমানে ১৫১ টি ঘরের কাজ চলমান রয়েছে। বাকি ঘর গুলো পর্যায়ক্রয়ে হস্তান্তর করা হবে।

Post Comment

You May Have Missed

error: অনুমতি ছাড়া লিখা ও ছবি নকল করা নিষেধ