সুবর্ণচরে মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
রুবেল, সুবর্ণচর প্রতিনিধি ::
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে ।
রবিবার বিকেলে চরজুবিলীর রুসু মার্কেট সংলগ্ন নুরুল হক কোম্পানি দরজায় অনুষ্ঠিত হয়।
ফাল্গুন মাস আরম্ভ হয়েছে। অনেকেই বসন্ত উপভোগ করছেন, অনেকেই ভ্যালেন্টাইন ডে। সর্বোপরি চলছে ভালোবাসা বিনিময় । আর আজই মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রথম প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।
মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলা কেন্দ্রিক চরজুবলী ইউনিয়নের হারিছ চৌধুরী বাজার (আটকপালিয়া বাজার) কেন্দ্রিক একটি সামাজিক সংগঠন যার লক্ষ্য মানবিক ও সামাজিক কল্যাণ।
গেল বছর ১৪ই ফেব্রুয়ারী চরজুবলী ইউনিয়নের ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের কিছু মানবিক যুবকের উদ্যোগে গঠন করা হয় এ সংগঠন।
অনেক প্রাপ্তি – অপ্রাপ্তি, বাধা-বিপত্তি ডিঙিয়ে সংগঠনটি এক বছর অতিক্রম করে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংগঠনটি এসএসসি-২০ এ অত্র এলাকায় জিপিএ -৫.০০ প্রাপ্তদের জন্য সংবর্ধনা ও দোয়ার আয়োজন করে।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরজব্বর ডিগ্রি কলেজের প্রফেসর ও সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ্আলহাজ্ব আব্দুল মালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তরুণ রাজনীতিবিদ – মোঃ জামাল উদ্দিন, সমাজসেবক -আবুল কালাম আজাদ, মোঃ সেলিমসহ আরও অনেকে।
উক্ত প্রোগ্রামের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি হাফেজ নুর আলম।
মহাগ্রন্থ আল কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় সংগঠনটির প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনটির সভাপতি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং ভবিষ্যতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে প্রোগ্রামের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে দু’জন বক্তৃতা দেন। তারা দু’জনই আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে এবং সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে তাদের কথা শেষ করে। এরপর বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বেশ কয়েকজন বিশেষ মেহমান। তারা সবাই সংগঠনটির জন্য কিছু পরামর্শ প্রদান করে তাদের কথা শেষ করেন।
সর্বশেষ বক্তৃতা প্রদান করেন প্রধান অতিথি। তিনি শিক্ষার্থী ও উপস্থিত সকলকে মানুষ হওয়ার পাশাপাশি মনুষ্যত্ববোধ সম্পন্ন হওয়ার আহ্বান জানান। জীবনকে ভোগের নয় বরং ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত করার জন্য বলেন।সংগঠনের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সাথে সাথে সংগঠনের কিছু ভুল-ত্রুটি দেখিয়ে ভবিষ্যতে সংশোধনের পরামর্শ দিয়ে কথা শেষ করেন।
কথা শেষে জিপিএ -৫.০০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্বরুপ ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। এবং টাকার অভাবে পড়তে পারছে না এমন একজন গরীব শিক্ষার্থীর পড়ার ব্যবস্থা করে দেয়া হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে। সাথে সাথে আগত সুবর্ণচর উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে উৎসাহস্বরুপ ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।
সর্বশেষ কেক কেটে, দোয়া অনুষ্ঠান করে এবং মিষ্টি বিতরণ করে প্রোগ্রাম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।



Post Comment