হারিছ চৌধুরী বাজারে বর্জ্য ড্রাম্পিংয়ের অভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে ব্যর্থ ছাত্রদল
সুবর্ণচর(উপজেলা) প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার হারিছ চৌধুরী বাজারে ময়লার স্তুপ হয়ে থাকা ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েও ব্যর্থ হয়েছে উপজেলা ছাত্রদলের কর্মীরা। সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ডাম্পিংয়ের স্থান না থাকায় এবং প্রশাসনের সহায়তার অভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সম্পন্ন করা যায়নি বলে দাবী করেছে সংগঠনের নেতা আব্দুল্লাহ আল আরিফ।
শনিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা-কর্মী বাজার এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন। হারিছ চৌধুরীর বাজারের ২১৬৭ দোকান রয়েছে।
এসময় তারা বাজারের রাস্তাঘাট এবং দোকানের আশপাশ থেকে ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করতে গেলে দেখা যায়, আবর্জনা ফেলার জন্য কোনো নির্ধারিত স্থান বা ডাম্পিং সিস্টেম নেই।
ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল আরিফ বলেন, “আমরা এলাকাবাসীর সুবিধার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির ভাইয়ের নির্দেশনায় স্বেচ্ছাশ্রমে এ বাজার পরিষ্কারের কাজ শুরু করি। কিন্তু আবর্জনা রাখার জায়গা বা পরিবহন না থাকায় আমাদের কাজ এগোয়নি। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও বাজার পরিচালনা কমিটির নজরে আনা দরকার।”
বাজারের টেলিকম ব্যবসায়ী আবদুল জাব্বার জানান, পাইকারি ও খুচরা বাজারে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণে বর্জ্য জমা হলেও নিয়মিতভাবে সেগুলো অপসারণ করা হয় না। “আমরা বহুবার বাজার কমিটিকে অভিযোগ করেছি, কিন্তু তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।”
সকালবেলা কাঁচা তরকারির কয়েক টন বর্জ্য জমা হয়। সেগুলো রাস্তার পাশে রেখে যায়।
চরজব্বার কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র সাখাওয়াত নলেন, রাস্তার পাশ দিয়ে চলাচল সময় বাজারে আবর্জনার স্তূপ থেকে যে দুর্গন্ধ ছড়ায়, মুখে কাপড় রাখলেও সেগুলো ভেদ করে পেটের মধ্যে ঢুকে যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। বেশিরভাগ সময় দুর্গন্ধ বমি হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন জানান, তিনি আবর্জনা ফেলার জন্য পরিবেশ সম্মত স্থান নির্ধারণের চেষ্টা করছেন। আশেপাশে খালি জায়গা না থাকায় জায়গার নির্ধারণ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। প্রশাসনের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে জায়গা নির্ধারণ করবেন বলে জানান তিনি।



Post Comment