সুবর্ণচরে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে তিনটি গরু মারা গেছে
মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল::
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পৃথক স্থানে দুই ঘন্টার বজ্রপাতে তিনটি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ওই সময় মানুষের হতাহত হওয়ার কোন খবর পাওয়া যায়নি।
কবিরহাট সরকারী কলেজের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের প্রভাষক ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নোয়াখালী’র সহ-সভাপতি সফিকুল ইসলাম সাজু বলেন“প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বজ্রপাত প্রতিরোধের এখন পর্যন্ত কোনো উপায় আবিষ্কার না হলেও বৈজ্ঞানিক ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।”
রোববার (৬ জুন) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
সুবর্ণচর উপজেলার ৪নং চরওয়াপদা ইউনিয়নের চরকাজী মোখলেছ গ্রামে ১টি এবং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের চরবাটা গ্রামে ১টি, মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মুন্সির হাট বাজার সংলগ্ন ১টি গরু মারা যায়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ৪নং চরওয়াপদা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের চরকাজী মোখলেছ উচ্চ বিদ্যালয়ের সংলগ্ন গ্রামের খেতে ঘাস খাওয়ার সময় বজ্রপাতের শিকার হয়ে স্থানীয় আব্দুল মান্নান মেম্বারের ১টি গরু ও উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সির হাট বাজার সংলগ্ন বাসিন্দা মালেক সর্দার বাড়ির হোসেন বেপারীর ১ টি গরু ঘাস খেতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হয়ে মারা যায়। এক ঘন্টা পরে উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ১টি গরু মারা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা আমানত উল্যাহ জানান, এর আগেও উপজেলার মোহাম্মপুর ইউনিয়নে আক্তার মিয়ার হাট এলাকায় ২টি, হেমায়েত মার্কেট এলকায় ৩টি ও চরজব্বর ইউনিয়নে ১টি গরু বজ্রপাতে মারা যায়।
উপকূলীয় পরিবেশ আন্দোলনের নোয়াখালী’র সভাপতি আবদুল বারী বাবলু বলেন, সুবর্ণচর উপজেলা উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় বজ্রপাতে মাত্রা বেশি হচ্ছে। এভাবে প্রতিনিয়ত বজ্রপাত হতে থাকলে জানমাল নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে। আবদুল বারী আরো বলেন,অধিকতর বজ্রপাতে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে হবে।
কবিরহাট সরকারী কলেজের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের প্রভাষক ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নোয়াখালী’র সহ-সভাপতি সফিকুল ইসলাম সাজু বলেন“ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বজ্রপাত প্রতিরোধের এখন পর্যন্ত কোনো উপায় আবিষ্কার না হলেও বৈজ্ঞানিক ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।”
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন জানান, এ উপজেলায় বজ্রপাতের শিকার হয়ে তিনটি গরু মারা যাওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে।



Post Comment