পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পলায়ন:৮ঘন্টা পর এক আসামি গ্রেফতার
মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল::
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার ধর্ষণ মামলার দুইআসামি পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া এলাকার হাইওয়ে থেকে পলায়নের ৮ঘন্টা পর এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনায় ৪ জন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক জিহান আহমদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ হেড কোয়ার্টারে জানানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত মো. দেলোয়ার হোসেন (৩০) উপজেলার বগাদিয়া গ্রামের সওদাগর বাড়ির মৃত মো. আবদুল লতিফের ছেলে।
বুধবার (১৮ আগস্ট)রাত ১২টার দিকে ঢাকার কামরাঙ্গির চর থানা এলাকা থেকে কামরাঙ্গির চর থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে বর্তমানে কামরাঙ্গির চর থানা হেফাজতে রয়েছে।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি আরও জানান,অপর পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে। দুই ধর্ষণ মামলার আসামি পলায়নের ঘটনায় মুন্সিগঞ্জ জেলার গাজারিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার ধর্ষণ মামলার দুই আসামি জুয়েল (২৬)ও দেলোয়ার (৩০)গতকাল বুধবার (১৮ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানা এলাকার হাইওয়ে রোডের আলমদিনা হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টের টয়লেট থেকে পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পলাতক আসামিরা হচ্ছে, সোনাইমুড়ীর বাট্টা গ্রামের মুজামিয়া বেপারী বাড়ির মৃত চাঁনমিয়ার ছেলে মো. জুয়েল (২৬) ও বগাদিয়া গ্রামের সওদাগর বাড়ির মৃত মো. আবদুল লতিফের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (৩০)।
সূত্র জানায়, আদালতে নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য বুধবার ধর্ষণ মামলার দুই আসামি ও ভিকটিমকে ঢাকার মালিবাগ সিআইডিতে নিয়ে যায় সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ। এরপর ফেরার পথে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া এলাকার হাইওয়ে এলাকায় আলমদিনা হোটেলে তারা দুপুরের খাবার খেতে যাত্রা বিরতি দেয়। একপর্যায়ে আসামিরা পুলিশ পাহারায় টয়লেটে প্রবেশ করে। পরে দুই আসামি টয়লেটের ভেন্টিলেটর ভেঙে পালিয়ে যায় বলে দাবি করছে পুলিশ।



Post Comment