রাজধানী রণক্ষেত্র: আওয়ামী লীগ–বিএনপি সংঘর্ষ
সরাসরি
বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড়ে তিন দিক থেকে ঘেরাও করে পুলিশের ওপর হামলা। ছবি: আজকের পত্রিকা
বেলা ০৩:৪১
রাজারবাগে পুলিশ হাসপাতালে আগুন দিয়েছে বিএনপি–জামায়াতের নেতা–কর্মীরা। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ডিসি (মিডিয়া) সাংবাদিকদের কাছে এ দাবি করেন।
বেলা ০৩:৩৮
বিএনপি ও সমমনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত পুলিশ সদস্যদের ২২ জন রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে এবং ১৯ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বেলা ০৩: ৩৪
যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু গুলিবিদ্ধ।
বেলা ০৩:৩৩
পল্টন, বিজয়নগর পানির ট্যাংক ও ফকিরাপুলে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছে।
বেলা ০৩:২০
আগামীকাল রোববার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি। নয়াপল্টনে সমাবেশে হামলা হওয়ার পর দলের মিডিয়া সেল থেকে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে সমাবেশ চলাকালে পুলিশ এবং বিএনপির নেতা–কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মিডিয়া সেল জানায়, সমাবেশ চলাকালেই বিএনপি মহাসচিব হ্যান্ডমাইকে হরতালের ঘোষণা দিলেও সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় সাংবাদিকেরা সেটি শুনতে পাননি।
বেলা ০২:৪৫
বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড়ে অবস্থানরত বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর নেতা–কর্মীদের হামলায় পুলিশ সদস্য আবদুর রাজ্জাক গুরুতর জখম হয়েছেন। তাকে বাঁচাতে গেলে সাংবাদিকেরাও আক্রমণের শিকার হন।
বিজয়নগর এলাকায় রণক্ষেত্র। ছবি: আজকের পত্রিকাতিন দিক থেকে পুলিশের ওপর হামলা
দুপুর ০২:০০
বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড় এলাকায় পুলিশকে তিন দিক থেকে হামলা করছে বিএনপিসহ সমমনা দল ও জোটের নেতা-কর্মীরা। শনিবার দুপুর ২টা নাগাদ এ সংঘাতের শুরু হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, কালভার্ড মোড়, পুরানা পল্টন ও সেগুন বাগিচা— এই তিন দিক থেকে পুলিশকে আক্রমণ করছে বিএনপিসহ সমমনা দল ও জোটের নেতা–কর্মীরা। পানির ট্যাংক মোড়ে অবস্থান নিয়ে পুলিশও নেতা–কর্মীদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিএনপি, গণ অধিকার, ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতা–কর্মী সন্দেহে কয়েকজনকে মারধর করেছে তারা। এই সংঘর্ষে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছে। দুটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
Post Comment