সুবর্ণচরে গৃহবধূর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ছেলের করা অজ্ঞাত মামলায় বাবা আটক
সুবর্ণচর(নোয়াখালী)প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গৃহবধূ হালিমা বেগমের দু’পা বাঁধা মরদেহ মালেক খাল থেকে উদ্ধারের ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিহতের স্বামীকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটিলিয়ন (র্যাব)-১১।
এ ঘটনায় চরজব্বর থানায় নিহতের ছেলে বড় শরিফ বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। এই মামলায় শরীফের বাবা জসিম উদ্দিনকে আটক করা হয়।
নিহত হালিমা লক্ষ্মীপুর জেলার মৃত আব্দুল লতিফের মেয়ে ও জসিম উদ্দিনের স্ত্রী। ১০ বছর ধরে হালিমা ও জসিম আলাদা থাকেন।
এই দম্পতির পাঁচ ছেলে সন্তান রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে র্যাব-১১ এর সদস্যরা জসিম উদ্দিনকে লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থেকে আটক করে রাত দেটার দিকে চরজব্বার থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোর্তাহীন বিল্লাহ। তিনি বলেন, র্যাব আটকের পর তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার ১৮ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চর পানাউল্যাহ গ্রামের মালেক খাল থেকে দুই পা বাঁধা অবস্থায় চোখ থেতলানো ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হালিমা তাঁর বসত ঘরে একাই বাস করতেন। তবে ছোট ছেলে বয়ান (২৫) প্রায় আসা যাওয়া করতেন। গতকাল বুধবার বড় ছেলে শরীফের স্ত্রীর দায়ের করা নারী নির্যাতনের মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়ে হালিমা বিকেলে বাড়ি ফিরে আসেন। পরে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আড্ডা দেন। এর মধ্যে হালিমা মোবাইল ফোনে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির কল পেয়ে সেখান থেকে চলে যান। পরেরদিন সকালে তাঁর বসত ঘরের অদূরে এক খালে তাঁর হাত পা বাঁধ চোখ থেঁতলানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।



Post Comment