নিহত ইমরান হোসেন সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার রানীগ্রাম মহল্লার আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের উত্তর সারটিয়া গ্রামের ফরিদুল ইসলামের মেয়েকে বিয়ে করে শ্বশুর বাড়িতেই থাকতেন। ঘটনার পর থেকে শ্যালক রাশেদুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানায়, বেশ কিছুদিন আগে ইমরানকে মারধর করেন শ্যালক রাশেদুল। এ ঘটনায় রাশেদুলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন ইমরান। রাশেদুলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর পারিবারিক কলহ নিয়ে ঝগড়া বিবাদ হয়ে আসছিল। এ ঘটনায় রাশেদুলের স্ত্রী তাঁর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেন।
সুবর্ণ নাট্যদল বিজ্ঞাপন
স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় রাশেদুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। পরে পুলিশ রাশেদুলকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি পালিয়ে যান। রাশেদুলের ধারণা ইমরানের দায়ের করা মামলায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করতে যায়।
এই ধারণা থেকে গতকাল বিকেলে উত্তর সারটিয়া গ্রামে ইমরানকে কুপিয়ে আহত করেন রাশেদুল ইসলাম। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ঢামেকে রেফার্ড করা হয়। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে মারা যান ইমরান।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, ইমরানের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। মরদেহ ঢামেকের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
Post Comment