গণমাধ্যমের মুক্তির মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক সমাজের মুক্তি নিশ্চিতের আহ্বান
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আজও নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন, নির্ভয়ে সত্য প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা ও অনলাইন হয়রানির মতো বিষয়গুলো সংবাদ পরিবেশনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সঠিক তথ্য প্রকাশে গণমাধ্যমের ভূমিকাকে যেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, তেমনি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। কারণ, মুক্ত গণমাধ্যমের হাত ধরেই একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মুক্তি আসতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার ‘সাংবাদিকতা, জেন্ডার ও পরিবেশ: টেকসই ভবিষ্যতের পথে মুক্ত গণমাধ্যম’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহ-অর্থায়নে একশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় বিটনিক-এর আয়োজনে রাজধানীর সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিকের (সিআইআরডএপি) মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘গণমাধ্যমের মুক্তি, গণতন্ত্রের শক্তি’ ও ‘তথ্য হোক সত্য গণমাধ্যম চাই মুক্ত’।
একশনএইড বাংলাদেশ-এর উইমেন রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুইটি টিমের লিড মরিয়ম নেসার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সুশীল প্রজেক্টের ম্যানেজার মৌসুমী বিশ্বাস। এসময় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং শিক্ষাবিদরা দেশের ক্রমবর্ধমান গণমাধ্যম জগতের গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। দেশের সাংবাদিকতা, জেন্ডার সমতা এবং পরিবেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের ওপর জোর দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ভুল তথ্যের বিস্তার, ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের গুরুত্ব এবং গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তার জরুরি প্রয়োজন নিয়েও আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনদের অংশগ্রহণে একটি মতবিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল



Post Comment