‘ছাত্রলীগ’ পরিচয়ে স্কুলছাত্র গ্রেপ্তার, দেওয়া হলো না পরীক্ষা
অনলাইন ডেস্ক
পুলিশ জানায়, গত সোমবার রাতে আটক করার পর পরদিন নাঙ্গলকোট থানায় এসআই আলমগীর হোসেন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন।
তবে পরিবারের অভিযোগ, পুরো ঘটনাই ভিত্তিহীন। ইমরান কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়।
ইমরানের বাবা ইসহাক মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিনি নিজেও কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। সোমবার রাত ৩টার দিকে পুলিশ বাড়ি থেকে তার ছেলেকে ধরে নিয়ে যায়। পরদিন সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ছেলের পরীক্ষার প্রবেশপত্র নিয়ে থানায় গিয়েও কোনো সমাধান পাননি। আদালতও জামিন দেননি।’
তিনি বলেন, ‘সবার ছেলে-মেয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে, আমার ছেলেটা কারাগারে। কোনো প্রমাণ ছাড়া তাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমি দ্বারে দ্বারে ঘুরছি ছেলের মুক্তির জন্য।’
ঢালুয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেলাল হোসেন মজুমদার জানান, ইমরান তাদের প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত শিক্ষার্থী। তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কোনো তথ্য তার কাছে নেই। তিনি ইমরানের মুক্তি দাবি করেন।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি এ কে ফজলুল হক বলেন, ঘটনার রাতে আরো কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ইমরানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে তাকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হবে।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, শেখ হাসিনার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে এলাকায় কিছু ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হলে চার্জশিটে নাম থাকবে না।



Post Comment