নোয়াখালীতে বিচ্ছিন্ন ঘটনায় ভোটগ্রহণ শেষ, ৪ জনের কারাদণ্ড

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর ৬টি সংসদীয় আসনের বেশ কিছু ভোট কেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিষ্ফোরণ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া’সহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এদিকে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টাকালে ৪ যুবককে আটক করে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এরআগে রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে জেলার ৮২০টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন, সুবর্ণচর উপজেলার চরমজিদ গ্রামের মো. হানিফের ছেলে জাহের, একই গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে হাশেম, পশ্চিম চরবাটা গ্রামের ওয়ালি উল্যার ছেলে শহীদুল ইসলাম ও একই গ্রামের মিরাজ উদ্দিনের ছেলে রিয়াজ।

সরজমিনে জেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটে কেন্দ্রে করে আগের দিন তথা শনিবার রাতে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাপক ককটেলের বিষ্ফোরণ ঘটে। ভোট চলাকালেও একাধিক কেন্দ্রের বাইরে বিষ্ফোরণ হয় ককটেলের। এছাড়া নোয়াখালী-২, নোয়াখালী-৩ ও নোয়াখালী-৪ আসনের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়।

এদিকে দুপুরে ভোট চলাকালে নোয়াখালী-৪ আসনের সুবর্ণচর উপজেলার সেলিম বাজার আশ্রয়ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টাকালে ৩ যুবককে আটক করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এবং চর মজিদ ভূঁইয়ার হাট দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে একই অভিযোগে আরও ১জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাকির হোসেন আটককৃত ৪ যুবককে দুই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১৫দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুুর রহমান বলেন, কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া জেলার ৮২০টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্নভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করায় ৪জনকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। গণনা শেষে ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

Post Comment

You May Have Missed

error: অনুমতি ছাড়া লিখা ও ছবি নকল করা নিষেধ