নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) এর শস্য বিন্যাসে বিনা উদ্ভাবিত সরিষার জাত অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি, বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বীজ উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ,শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিনা)র নোয়াখালী উপকেন্দ্র আয়োজনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় সুবর্ণচরের গ্লোব এগ্রো খামার এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রশিক্ষণে বিনা উপকেন্দ্রের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানার সঞ্চালনায় উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী বক্তব্য রাখেন বিনা’র মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিনা’র পরিচালক (গবেষণা ) ড. মোঃ আব্দুল মালেক, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (গবেষণা সমন্বয়ক) ড. মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম এবং সুবর্ণচর বিএডিসির প্রকল্প পরিচালক মো. আজিম উদ্দিন।
এছাড়াও, উপস্থিত ছিলেন বিনা’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রায়হান শিকদার, ফার্ম ম্যানেজার ফররুখ আহমেদ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ব্যক্তিবর্গ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিনা’র মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, বিনাধান-১৭ এর মত স্বল্প জীবনকালীন জাতের চাষ নিশ্চিত করতে পারলে দেশের চাহিদা পূরনে তেল ফসলের চাষাবাদ ও বাড়ানো সম্ভব হবে। কেননা অক্টোবর এর শেষে কিংবা নভেম্বরের শুরতেই আমন ধান কর্তন করা গেলে খুব সহজেই সরিষার চাষাবাদ করা যাবে। এতে দেশে তেলের ঘাটতি যেমন পুরন হবে, একই সাথে কৃষকের আয় ও বৃদ্ধি হবে।
বক্তারা দেশের ফসলের স্বয়ংসম্পুর্ণতা অর্জনে উচ্চফলনশীল ও স্বল্পজীবনকালীন ফসলের চাষাবাদ বৃদ্ধিতে বীজ উৎপাদন এবং সংরক্ষণে কৃষকদের বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে অবহিত করেন।
প্রশিক্ষণে সুবর্ণচরের ৬০ জন প্রান্তিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন।



Post Comment