রাজাকারের কোন বংশধর আওয়ামীলীগের সভাপতি হতে পারে না ; সুবর্ণচরে এমপি একরামুল করিম চৌধুরী
মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল :
নোয়াখালী-৪(সদর-সুবর্ণচর) আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী জেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এএইচএম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিমকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, সুবর্ণচরের জন্য একটা কালো হাত হলো খায়রুল আনম সেলিম,এই ভদ্র লোক মানুষরুপী একটা দানব।
এমপি বলেন,আমার চোখের সামনে আমার দল ছিন্নভিন্ন করে দিতে যারা চায়,যারা সুবর্ণচরের আওয়ামীলীগের সভাপতি বানাতে চায় রাজাকারের বংশধরদের আমি এটা হতে দেবনা। রাজাকারের কোন বংশধর আওয়ামীলীগের সভাপতি হতে পারে না।
এমপি একরাম বলেন,আজকে নোয়াখালীর রাজনীতি যখন সারা বাংলাদেশের আদর্শের মডেল, যাকে সভাপতি বানানোর জন্য আমার ছয় কোটি টাকা খরচ হয়েছিলো, সেই বেঈমান ওবায়েদুল কাদেরের তালে পড়ে আমাকে দল থেকে বাহির করে দেয়ার, টের পাবেন শেখ হাসিনার লাস্ট দাবাতে।
রোববার দুপুর আড়াইটায় সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটার গ্লোব বাজার হারুনুর রশিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক যুগ পূর্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এছাড়াও তিনি স্কুলের উন্নয়নের জন্য দুই লক্ষ টাকা অনুদান দেন এবং ভবন নির্মাণে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। স্কুলটিকে এমপিওভূক্ত করতে জোর সুপারিশ করবেন।
স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের আয়োজনে প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ওমর ফারুক,অধ্যক্ষ মোনায়েম খান,চরবাটা ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রাজিব,চরক্লার্ক ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবুল বাসার,প্রফেসর সফিকুল ইসলাম সাজু, কবি ও লেখক সিরাজুল ইসলাম মনির, চরজুবিলীর চেয়ারম্যান সাইফুল্লা খসরু প্রমূখ।



Post Comment