সুবর্ণচরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ আহত ৪
সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি ::
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৩ নারীসহ আহত ৪। ৯৯৯ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে চরজব্বার থানা পুলিশ। আহতরা বর্তমানে সুবর্ণচর উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
আহতরা হলেন, সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের দক্ষিণ বাগ্যা গ্রামের জসীমউদ্দীন(৩৬) ও তাঁর মেয়ে পিংকি আক্তার (১৫),মা আলেয়া বেগম(৫০),স্ত্রী হাজেরা বেগম(৩৩)। মঙ্গলবার সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের দক্ষিণ বাগ্যা গ্রামের ওসমানের বাড়ীতে।
আহত হাজেরা বেগম বলেন, আমাদের পুকুরে মাছ ধরার সময় রবিউল হকের ছেলে ওসমান গনি(৫০) আব্দুল কুদ্দুস (৩০) ,ওসমান গনির ছেলে আলা উদ্দিন(২৮) ইদ্রিস মিয়ার ছেলে সিরাজ(৫০), সিরাজের পুত্র আলা উদ্দিন (২৫), নুরুল আমিনের ছেলে জাকির (২৮), চর রশিদ গ্রামের মোস্তফা মিয়ার ছেলে সাহাব উদ্দিন (৪০) সহ অজ্ঞাত কয়েকজন আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। আমাকে বাঁচাতে এলে আমার মেয়ে পিংকি আক্তার ও আমার মা আলেয়া বেগমকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে ঘরে বাহিরে ব্যাপক ভাংচুর করে এবং ঘর থেকে নগদ অর্থ এবং স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। পরে আমরা ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করেন।
অভিযুক্ত ওসমান বলেন, “আমাদের মালিকীয় পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে কথা কাটাকাটি এবং ঝগড়াবিবাদ হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই হাজেরা খাতুন এবং জসিম ওরফে দশার ছেলে বাদশা, আমার স্ত্রী আলেয়া বেগম এবং ফেরদৌস এর স্ত্রী কুলসুমকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। দীর্ঘদিন তারা আমাদের জায়গাজমি ভোগদখল করছে ।
চরজব্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল হক তরিক খন্দকার বলেন, জরুরী আইন সহয়তা নাম্বার ৯৯৯ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উভয়ের মধ্যে বিবাদমান ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।



Post Comment