সুবর্ণচরে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি :
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মিথ্যা সাজানো ধর্ষণ মামলায় আইয়ুব আলী নামের এক ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আইয়ুব আলী সুবর্ণচরের সীমানাবর্তী রামগতির ফরিদ মেম্বার মার্কেট এলাকার চা দোকানদার।
সোমবার (৭ জুন) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে রামগতির ফরিদ মেম্বার বাজারের নিজের প্রতিষ্ঠানে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় চরজব্বর থানা পুলিশ তাকে আটক করে।
গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ীর নাম আইয়ুব আলী রামগতির চর গাজী ইউনিয়নের ০৫ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ টুমচরের আবু তাহেরের ছেলে।
আবু তাহের জানান, দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবত চা দোকান করে ফরিদ মেম্বার বাজারে। ৩/৪ দিন পূর্বে শফি বাতাইন্নার বাহিনী শাহাদাতের সাথে সামান্য কথা কাটাকাটি হয় এরই জেরে শাহাদাতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৩৫)কে বাদী করে আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা সাজানো হয়।
এলাকাবাসী নাম না বলার শর্তে প্রতিবেদককে বলেন,এখানে ডাকাতি,মারামারি ও ধর্ষণ এগুলো শফি বাতাইন্নার নাটক ছাড়া কিছুই নয়।মূলত এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে রামগতি ও সুবর্ণচর উপজেলার সীমানা নিয়ে দ্বন্দের জের ধরে।এখানে রামগতির কোন লোক যদি ফরিদ মেম্বার বা রামগতির পক্ষ হয়ে ভুমিদস্যু ও বনদস্যু শফি বাতাইন্নার বিপক্ষে নিয়ে কথা বলে, তার উপর নেমে আসে হামলা ও ধর্ষণের মত জগন্য মামলা।শফি বাতাইন্নার নিকট একাধিক পতিতা মহিলা রয়েছে তারা যে কোন মূহুর্তে অন্যকে ফাঁসাতে নিজেকে ধর্ষিতা প্রমাণ করাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
চর জুবিলীর এক জনপ্রতিনিধি বলেন,শফি বাতাইন্না হলো চর জিয়াউদ্দিনে যত অপরাধের মূল হোতা।তার ইশারায় সব কিছুই হতে পারে।সে অন্যকে ফাঁসাতে নিজস্ব বাহিনী দিয়ে চুরি,ডাকাতি,খুন, ধর্ষণ ও রাহাজানি সবই করতে পারে।আবার ভালো মানুষকে কৃত্রিম ব্যান্ডেজ ও রক্ত লাগিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে মামলা করাতে প্রস্তুত করানো এসব নোংরামী বাতাইন্নার কাজ।
চর জব্বার থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কবির হোসেন জানান,আমি আইয়ুব আলীকে তার চা দোকান থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় ভোর রাতে এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করি।
চর জব্বার থানার অফিসার ইনচার্জ মো.জিয়াউল হক জানান, আটক আইয়ুব আলীকে ধর্ষণ মামলায় জেলে প্রেরণ করা হয় এবং মামলার বাদী রোজিনা বেগমকে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।



Post Comment