সোনাইমুড়ীতে এতিমের টাকায় জালিয়াতির মহোৎসব

তালিকায় ৮৮ এতিম, সরেজমিনে মিলল ৩ জন

প্রবাসীর সন্তানও সরকারি তালিকায় ‘এতিম’, ১২ বছর আগে বন্ধ দোকানের নামেও বিল; চার প্রতিষ্ঠানের ভাউচারে একই হাতের লেখা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে এতিম শিশুদের প্রতিপালনের জন্য সরকারের দেওয়া ক্যাপিটেশন গ্রান্টের অর্থ ব্যবহারে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি তালিকায় এতিমের সংখ্যা বেশি দেখানো, সরেজমিনে তালিকাভুক্ত শিশুদের অনুপস্থিতি, জীবিত ও প্রবাসী বাবার সন্তানকে ‘এতিম’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা, অস্তিত্বহীন কিংবা বহু বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের নামে বিল-ভাউচার তৈরি এবং একই হাতের লেখায় একাধিক প্রতিষ্ঠানের ভাউচার তৈরির মতো তথ্য পেয়েছে অনুসন্ধানে।

উপজেলার ১৮টি এতিমখানার মধ্যে ১৩টি সরকারি সহায়তা পায়। এর মধ্যে সোনাইমুড়ী ফয়েজিয়া এতিমখানা, আমিশাপাড়ার জামেয়া ইসলামিয়া ইহাইয়া উল উলুম এতিমখানা, বারগাঁওয়ের মকিল্যা নুরানী হাফিজিয়া এতিমখানা এবং বাংলা বাজারের পাঁচবাড়িয়া আহমাদিয়া এতিমখানার নথি, এতিমদের তালিকা, বিল-ভাউচার ও সরেজমিনে উপস্থিতি যাচাই করা হয়েছে।

সমাজসেবা কার্যালয়ের নথি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর জমা দেওয়া কাগজপত্র পর্যালোচনা এবং সরেজমিনে তথ্য যাচাইয়ে সরকারি বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—সরকারি নথিতে যাঁদের ‘এতিম’ দেখিয়ে অর্থ নেওয়া হচ্ছে, তাঁদের কতজন প্রকৃতপক্ষে এতিম? আর যেসব পণ্য কেনার নামে সরকারি অর্থ ব্যয়ের হিসাব দেখানো হয়েছে, সেসব পণ্য আদৌ কেনা হয়েছিল কি না?

১৯০ থেকে ১০৮, এক বছর পর ১৫৬

সোনাইমুড়ী ফয়েজিয়া এতিমখানার এতিমের সংখ্যা নিয়ে নথিতে বড় ধরনের অসংগতি দেখা গেছে।

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটিতে আবাসিক ও অনাবাসিক মিলিয়ে এতিমের সংখ্যা ছিল ১৯০ জন। ওই অর্থবছরে দুই ধাপে ১৪৬ জনের জন্য সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়।

পরের অর্থবছর, অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালে সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিদর্শন প্রতিবেদনে এতিমের সংখ্যা দেখানো হয় ১০৮ জন। অর্থাৎ এক অর্থবছরের ব্যবধানে তালিকাভুক্ত এতিমের সংখ্যা কমে যায় ৮২ জন।

কিন্তু পরের অর্থবছরেই সেই সংখ্যা আবার বেড়ে দাঁড়ায় ১৫৬ জনে।

এক বছরে ৮২ জন কমে যাওয়া এবং পরের বছর আবার ৪৮ জন বেড়ে যাওয়ার কারণ কী—এ বিষয়ে নথিতে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

ফয়েজিয়া এতিমখানার মোহতামিম ও পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মো. শফিকুর রহমান। তাঁর তত্ত্বাবধানে সমাজসেবা কার্যালয়ে জমা দেওয়া বিভিন্ন বিল-ভাউচারও অনুসন্ধানের আওতায় আসে।

দোকান আছে, কিন্তু বিল নেই

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘ফয়সল ড্রাগ হাউজ’ নামের একটি ফার্মেসি থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকার ওষুধ কেনার হিসাব দেখানো হয়েছে।

ভাউচারগুলোতে দেখা যায়, প্রতিবার ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ওষুধ কেনার হিসাব রয়েছে।

ভাউচার হাতে নিয়ে ফয়সল ড্রাগ হাউজে গেলে মালিক মো. ফয়সল দাবি করেন, এগুলো তাঁর দোকানের বিল নয়। তাঁর ভাষ্য, এতিমখানার নামে তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিল ব্যবহার করা হলেও তিনি এমন কোনো ভাউচার তৈরি করেননি।

একইভাবে সোনাইমুড়ী স্টেশন রোডের ‘মেসার্স আকবর স্টোর’-এর নামে কয়েক লাখ টাকার মুদি ও মনিহারি পণ্য কেনার হিসাব দেখানো হয়েছে।

দোকানের মালিক মো. হাফেজ শাহ আলমও ভাউচারগুলো দেখে সেগুলো তাঁর প্রতিষ্ঠানের নয় বলে দাবি করেন।

তাহলে দোকানের মালিকের অজ্ঞাতে তাঁর প্রতিষ্ঠানের নামে তৈরি এসব ভাউচার দিয়ে কারা সরকারি অর্থের হিসাব মেলাল—এ প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।

যে দোকান ১২ বছর আগে বন্ধ, তার নামেও বিল

ফয়েজিয়া এতিমখানার নথিতে ২০২৫ সালে ‘আনোয়ার ক্লথ স্টোর’ থেকে কয়েক লাখ টাকার পোশাক, জুতা, গামছা ও মশারি কেনার হিসাব রয়েছে।

ভাউচারে ঠিকানা দেওয়া হয়েছে সোনাইমুড়ী ব্যাংক রোড।

কিন্তু সরেজমিনে ওই ঠিকানায় ‘আনোয়ার ক্লথ স্টোর’ নামে কোনো প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১২ বছর আগে ব্যবসা বন্ধ করে চলে গেছে।

প্রশ্ন উঠেছে, প্রায় এক যুগ আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি প্রতিষ্ঠানের নামে সাম্প্রতিক সময়ের কেনাকাটার বিল কীভাবে তৈরি হলো?

বাজারে নেই ‘মোহাম্মদীয়া বাণিজ্যালয়’

কাঁচাবাজার, মাছ ও মাংস কেনার হিসাবেও পাওয়া গেছে একই ধরনের অসংগতি।

ভাউচারে ‘মেসার্স মোহাম্মদীয়া বাণিজ্যালয়’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে সোনাইমুড়ী রেলগেট কাঁচাবাজার। কিন্তু বাজারের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত খুঁজেও ওই নামে কোনো দোকান পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম জানেন না বলে জানান।

ভাউচারে দেওয়া মুঠোফোন নম্বর নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। ওই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে ট্রু-কলার অ্যাপে নম্বরটির সঙ্গে এতিমখানার মোহতামিম ও সেক্রেটারি মো. শফিকুর রহমানের ছবি দেখা যায়।

বিষয়টি নিয়ে শফিকুর রহমানের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন।

৮৮ জনের তালিকা, উপস্থিত মাত্র ৩

আমিশাপাড়া ইউনিয়নের জামেয়া ইসলামিয়া ইহাইয়া উল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সরকারি তালিকায় এতিম নিবাসীর সংখ্যা ৮৮ জন।

তালিকা হাতে নিয়ে সরেজমিনে উপস্থিতি যাচাই করতে গেলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের একত্র করেন। এরপর সমাজসেবা অধিদপ্তরের তালিকা ধরে একে একে নাম ডাকা হয়।

৮৮ জনের মধ্যে উপস্থিত পাওয়া যায় মাত্র তিনজনকে।

তালিকার ৮৪ নম্বরে থাকা আসেক এলাহি এবং ৮২ নম্বরে থাকা আশিক বিন সাইফুলের বাবাই প্রবাসে থাকেন। তাঁরা মাদ্রাসার বেতন ও অন্যান্য খরচ দিয়ে পড়াশোনা করছেন বলে জানা যায়।

অর্থাৎ সরকারি তালিকায় তাঁদের ‘এতিম’ হিসেবে দেখানো হলেও তাঁদের বাবারা জীবিত এবং প্রবাসে কর্মরত।

তালিকাভুক্ত ৮৮ জনের মধ্যে সরেজমিনে মাত্র একজনকে প্রকৃত এতিম হিসেবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে অনুসন্ধানে উঠে আসে।

প্রতিষ্ঠানের মোহতামিম ও এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মাওলানা কবির আহম্মেদ অবশ্য বলেন, ‘এতিমদের অনেকে ছুটিতে আছে।’

তবে তালিকাভুক্ত এতিমদের এত বড় একটি অংশ একই সময়ে কোথায় ছিলেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভাউচার যাচাই করতে গিয়েও মিলল ‘বিল নেই’

জামেয়া ইসলামিয়া এতিমখানায় ২০২৫ সালে ‘জনী ফার্মেসি’ থেকে প্রতি মাসে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা করে ওষুধ কেনার ১২টি ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে।

কাগজে-কলমে বছরজুড়ে নিয়মিত ওষুধ কেনার হিসাব থাকলেও দোকানে গিয়ে ভাউচার দেখালে মালিক আবদুর রশিদ জনি দাবি করেন, এগুলো তাঁর দোকানের বিল নয়।

‘রাজমনি গার্মেন্টস’-এর নামেও পোশাক কেনার বিল রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক ইসমাইল হোসেন বলেন, ভাউচারে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা থাকলেও সেটি তাঁদের তৈরি করা নয়।

এ ছাড়া মুদি পণ্যের জন্য ‘মেসার্স মনসুর আলী স্টোর’, স্টেশনারির জন্য ‘হামিদিয়া লাইব্রেরি অ্যান্ড স্টেশনারি’, মাছের জন্য ‘মেসার্স আলী হোসেন ফিস’ এবং মাংসের জন্য ‘মেসার্স ওহাব গোস্ত দোকান’সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে দেওয়া ভাউচারেও একই ধরনের অসংগতি পাওয়া যায়।

চার দোকান, চার নাম—হাতের লেখা এক

বারগাঁও ইউনিয়নের মকিল্যা নুরানী হাফিজিয়া এতিমখানায় সরকারি তালিকায় এতিম নিবাসী ১২ জন।

সরেজমিনে তাঁদের উপস্থিতি যাচাই করে পাওয়া যায় মাত্র একজনকে।

এরপর বিল-ভাউচার যাচাই করতে গিয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আসে। ‘ফাতেমা বস্ত্র বিতান’, ‘মেসার্স আপন স্টোর’, ‘মেসার্স প্রীতম মেডিকেল হল’ এবং ‘শহিদ ফেব্রিক্স’—চারটি আলাদা প্রতিষ্ঠানের নামে ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে।

ঠিকানা আলাদা, ব্যবসার ধরনও আলাদা। কিন্তু চার প্রতিষ্ঠানের ভাউচারের হাতের লেখা একই বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

এতিমখানার পক্ষ থেকে ‘প্রীতম মেডিকেল হল’-এর নামে ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল ৩৫ টাকা দরে ৮০টি এজিথ ট্যাবলেট কেনার হিসাব দেখানো হয়েছে। মোট বিল ২ হাজার ৮০০ টাকা।

ওষুধটি অ্যান্টিবায়োটিক শ্রেণির। কোন চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে, কোন কোন শিশুর জন্য এবং কী কারণে ৮০টি অ্যান্টিবায়োটিক কেনা হয়েছিল—এমন প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি এতিমখানার বর্তমান মোহতামিম মুফতি মো. রফিকুল্লাহ।

তিনি জানান, তিনি চার-পাঁচ মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছেন। আয়-ব্যয়, বিল-ভাউচার ও অর্থ উত্তোলনের বিষয়গুলো পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন দেখেন।

জসিম উদ্দিনকে ফোন করে এতিমখানায় আসতে বলা হলেও তিনি সেখানে আসেননি।

২০১২ সালে আমেরিকা যাওয়া ব্যক্তির দোকানের বিল

পাঁচবাড়িয়া আহমাদিয়া এতিমখানার নথিতেও পাওয়া গেছে ভিন্ন ধরনের অসংগতি।

এতিমখানার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাকসুদুর রহমান পাটওয়ারীর পরিচালিত ‘মাহী এন্টারপ্রাইজ’-এর নামে প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মুদি মালামাল কেনার হিসাব রয়েছে।

এ ছাড়া ‘ইসলাম মেডিকেল হল’-এর নামেও বিল রয়েছে। কিন্তু দোকানের মালিক ফিরোজ আলম ২০১২ সালেই আমেরিকায় চলে গেছেন বলে জানা যায়।

এরপরও তাঁর প্রতিষ্ঠানের নামে এতিমখানার ভাউচার ব্যবহার করা হয়েছে।

‘রাজধানী ফ্যাশন’-এর নামে এতিমদের স্যান্ডেল, বিছানা, পায়জামা ও লুঙ্গি কেনার হিসাবও দেখানো হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই দোকানে পোশাকের পরিবর্তে কেক-বিস্কুট বিক্রি হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের মালিক জানান, তাঁরা একসময় পোশাক বিক্রি করতেন। তবে এতিমখানায় জমা দেওয়া ভাউচার তাঁদের তৈরি করা নয়।

ভাউচার লিখেছেন মাদ্রাসার শিক্ষক

পাঁচবাড়িয়া আহমাদিয়া এতিমখানার ভাউচার বই পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেখানে হিসাব লেখার কাজ করেছেন মাদ্রাসার জেনারেল শিক্ষক মিনহাজুল ইসলাম।

তিনি ‘মাহী এন্টারপ্রাইজ’ ও ‘রাজধানী ফ্যাশন’-এর বিল-ভাউচার তিনিই লিখেছেন বলে স্বীকার করেন।

অন্যদিকে সরকারি তালিকায় এতিম নিবাসীর সংখ্যা ৪৫ জন থাকলেও সরেজমিনে উপস্থিত পাওয়া যায় মাত্র সাতজন।

তাঁদের মধ্যেও কয়েকজনের বাবার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তালিকার দুই নম্বরে থাকা জিহাদের বাবা ওমানে থাকেন। ৩৫ নম্বরে থাকা আব্দুর রহমানের বাবাও বিদেশে থাকেন বলে জানা গেছে।

তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি

সরকারি অর্থে পরিচালিত এতিম শিশুদের সহায়তা কার্যক্রমে তালিকাভুক্তির স্বচ্ছতা, প্রকৃত এতিমের সংখ্যা, অর্থ বরাদ্দের হিসাব এবং বিল-ভাউচারের সত্যতা নিয়ে এসব তথ্য নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

বিশেষ করে অস্তিত্বহীন বা দীর্ঘদিন আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের নামে বিল, ব্যবসায়ীদের অস্বীকার করা ভাউচার এবং একাধিক প্রতিষ্ঠানের নামে একই হাতের লেখায় ভাউচার তৈরির অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে তদন্তের দাবি রাখে।

সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নথিপত্র, এতিমদের তালিকা, সরেজমিন উপস্থিতি এবং ব্যয়ের ভাউচারগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Post Comment

You May Have Missed

error: অনুমতি ছাড়া লিখা ও ছবি নকল করা নিষেধ