১৫ নভেম্বর থেকে নতুন পোশাকে পুলিশ
বিশেষ প্রতিনিধি
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেছেন, যাচাইবাছাই শেষে চূড়ান্ত হলে পোশাকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ততদিন পর্যন্ত পুরোনো ডিজাইনের পোশাকই থাকবে।
অপরাধ বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মানসিকভাবে পুলিশকে পরিবর্তিত হতে হবে। কেবল পোশাক পরিবর্তন করলেই হবে না। পুলিশের নিরাপদ কর্ম-পরিবেশ নিশ্চিত করাটা খুব জরুরি। পুলিশকে জনবান্ধব করে তুলতে প্রশিক্ষণসহ নানান পদক্ষেপ নিতে হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে র্যাব, পুলিশ ও আনসারের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সচিবালয়ের পোশাকের ট্রায়ালও দেওয়া হয়। যদিও নতুন পোশাকের কাপড়ের রং নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপর পুলিশের জন্য গাঢ় নীল রঙের পরিবর্তে লোহার বা আয়রন রঙের পোশাক নির্ধারণ করা হয়। এখন থেকে মহানগর পুলিশের ইউনিফর্মের রং আলাদা থাকবে না। তবে এপিবিএন এবং এসপিবিএন-এর ইউনিফর্ম পরিবর্তন হচ্ছে না। সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পুলিশ সংস্কার ও মানসিকতা পরিবর্তনের অংশ হিসেবে নতুন ইউনিফর্ম চালু করা হচ্ছে। পোশাক নির্ধারণ কমিটি বিভিন্ন দেশের পুলিশের ইউনিফর্ম বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত রং নির্বাচন করেছে। নতুন ইউনিফর্মের সঙ্গে পুলিশ লোগোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে, যেখানে নৌকার বদলে শাপলা, ধান ও গমের শীষ থাকবে।
এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) সূত্র বলছে, পুলিশের নতুন ইউনিফর্মের সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে ডিএনসির ইউনিফর্মে। ডিএনসির কর্মকর্তাদের আশঙ্কা পুলিশ আপত্তি তুললে চতুর্থ বারের মতো তাদের পোশাক বদল করা হতে পারে। কারণ আগেও পুলিশের আপত্তির কারণে তাদের পোশাক বদল করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে ডিএনসির মহাপরিচালক (ডিজি) হাসান মারুফ বলেছেন, এরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে মন্ত্রণালয়ই বিষয়টি বুঝবে। এ জন্য আমাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।



Post Comment