দৃষ্টিনন্দন আয়োজনে সুবর্ণমেলা ২০২৫: এক মহামিলন উৎসব
আবদুল জববার, সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:
সুবর্ণচর উপজেলা সমিতি, চট্টগ্রামের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সুবর্ণ মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ২০২৫ অনুষ্ঠিত হলো বিপুল উদ্দীপনা ও জাঁকজমকের সাথে।
২২ ফেব্রুয়ারি, চট্টগ্রাম শহরের সাগরিকা রোডে অবস্থিত মোস্তফা হাকিম মিনি স্টেডিয়ামে সুবর্ণচর উপজেলা সমিতি, চট্টগ্রাম কর্তৃক আয়োজিত এ বিশাল অনুষ্ঠানে অংশ নেন সুবর্ণচরের অসংখ্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও রাজনীতিকবিদ সহ সাধারণ জনগণ।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি, পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার এএসপি আবু জাফর মোঃ ওমর ফারুক এবং সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সোহরাব হোসেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অহিদুর রহমান নয়ন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট এ বি এম জাকারিয়া।
বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন:
খাগড়াছড়ি জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সিরাজ,
ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের সহকারী অধ্যাপক মিজান বিন মজিদ,
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবদুচ সোবহান,
সুবর্ণচর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা জামাল উদ্দিন,
সুবর্ণচর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন:
নোয়াখালী কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন গাজী,
বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী নুরুল ইসলাম আজাদ,
রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক বশির আহম্মদ, খায়রুল আলম সেলিম,
শিক্ষানুরাগী নুর উদ্দিন শামীম, কাজী আলমগীর, হারুন অর রশিদ, আকবর হোসেন, অলি উদ্দিন হাওলাদার, নুর মাওলা এবং সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, চট্টগ্রাম কোরিয়ান ইপিজেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক মুশফিকুর রহমান রাজু।
ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নুর আহাম্মদ বাবুল।
এই আয়োজনে অতিথিদের অভিব্যক্তি প্রকাশ, নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরদের জন্য খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, র্যাফেল ড্র, মেজবানী ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও ‘সুবর্ণ মৃত্তিকার গৌরব’ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন ও সুবর্ণ মেধা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন রিফাতকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এক বছর পর একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকে। সুবর্ণ মেলা যেন পরিণত হয় চট্টগ্রাম শহরের এক টুকরো সুবর্ণচরে। ধনী-গরীব, রাজনৈতিক-অরাজনৈতিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হয়ে এক অনন্য সম্প্রীতির দৃশ্য সৃষ্টি করেন। ১০ বছর ধরে চলমান এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে প্রতিবছর ১ হাজার থেকে ১০ হাজারেরও বেশি সুবর্ণচরবাসী অংশগ্রহণ করেন।



Post Comment