চট্টগ্রামে গ্রুপিংয়ের ঊর্ধ্বে এক কাতারে বিএনপি অফলাইন ও অনলাইনে সমান সক্রিয়: ভোটের মাঠে ব্যারিস্টার ম্যাজিক
ইমরান এমি, চট্টগ্রাম
জানা যায়, চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী ও বায়েজিদ আংশিক আসনে বিএনপির ব্যারিস্টার মীর হেলালের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকে মাওলানা নাসির উদ্দীন মুনিরের সঙ্গে। এ প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন বলেন, ক্ষমতার জন্য নয়, আমি এই এলাকার সাধারণ মানুষের খেদমত করতেই হাটহাজারীর মাঠে নেমেছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে বিগত ১৭ বছরের সব অপ্রাপ্তি, উন্নয়ন বঞ্চনার দুঃখ পুষিয়ে দিতে চাই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ধানের শীষে ভোট দিন, আমি হাটহাজারীকে সারা বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয়, সমৃদ্ধ ও আধুনিক মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
তিনি আরও বলেন, একজন ব্যক্তি কখনো বিনা ভোটে, কখনো দিনের ভোট রাতে নিয়ে আবার কখনো আমি-ডামি ভোটে নির্বাচনি তামাশা করে এই সংসদীয় এলাকার মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছিল। তিনি ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা শুধু নিজেদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন করেছেন। আগামীতে এই এলাকার মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। হাটহাজারীর ফরহাদাবাদ থেকে জালালাবাদ বায়েজিদ পর্যন্ত একটি ‘মডেল সংসদীয় এলাকা’ গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির ব্যারিস্টার মীর হেলাল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনীতি নিয়ে সরব। ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর তিনি নির্বাচনি মাঠগুছানোর দিকে নজর দিয়েছেন।
ভোটের তফসিল ঘোষণার আগে থেকে তিনি এলাকার নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করেছেন। ফলে দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার তাকে ভোটের মাঠে এগিয়ে রেখেছে। নির্বাচনি তফসিল ও প্রতীক বরাদ্দের পর নিজ পিতা সাবেক মেয়র ও প্রতিমন্ত্রী মীর নাছির উদ্দীনকে নিয়ে ভোটের প্রচারণা শুরু করেন। ফলে প্রবীণ ভোটারদের টানতে তিনি সমর্থ হয়েছেন। পাশাপাশি নবীন ও তরুণদের কাছে বেশ জনপ্রিয় এই বিএনপি নেতা। নারী ভোটারদের টানতে মীর হেলালপত্নী নওশীন আরজান হেলাল বিভিন্ন গ্রামে ও পাড়ায় পাড়ায় যাচ্ছেন ধানের শীষের প্রচারে। যা অন্য ৫ প্রার্থীর তুলনায় ব্যারিস্টার মীর হেলালকে এগিয়ে রেখেছে। এ ছাড়া নিয়মিত গণসংযোগ, প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন দলটির নেতা-কর্মীরা।



Post Comment