ম্যাজিস্ট্রেট ও র্যাব দেখে পালিয়েও রক্ষা হলোনা
মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল, প্রতিনিধি,সুবর্ণচর (নোয়াখালী)::
করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ রোধে কঠোর লকডাউনে নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ব্যতিত সকল দোকান—পাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় সরকার । সুবর্ণচরের হারিছ চৌধুরীর বাজারে দোকানের এক সার্টার বন্ধ রেখে অপর সার্টার খোলা রেখে লকডাউন পালন করছেন অধিকাংশ ব্যবসায়ী। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান আসলেই বন্ধ হয়ে যায় পুরো বাজার। অভিযান চলে গেলেই আবারও খুলে বসে ব্যবসায়ীরা। অধিকাংশ দোকান—পাট খোলা রাখায় বাজারগুলোতে মানুষের উপস্থিতিও বেশি। হারিছ চৌধুরীর বাজারটি ঘুরে দেখা গেছে, অনেক দোকানের সার্টার নামানো থাকলেও মালিক বা কর্মচারী দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকে। ক্রেতা আসলেই সার্টার খুলে ভিতরে নিয়ে যায়। আবার অনেক দোকানে এক সার্টার খুলেই দেদারসে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ম্যাজিস্ট্রেট ও র্যাবের গাড়ি দেখে দোকানের সার্টার নামিয়ে ভিতর বসে বেচাকেনা করেও শেষ রক্ষা হলোনা আপডেট ফ্যাশন নামের একটি দোকানের। গুনতে হয়েছে জরিমানা। অপর এক জুতা ব্যবসায়ী দোকান খোলা রেখে দোকানের পেছন দিয়ে পালিয়েছে।অনেক ডাকাডাকি করেও দোকানে আনতে না পেরে ম্যাজিস্ট্রেট বাজার কমিটির সদস্যদের ডেকে দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। শুক্রবার বিকেল চারটায় হারিছ চৌধুরীর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। চরজুবিলীর বাসিন্দা মো. মাসুম জানান— ‘কঠোর লকডাউনে যদি এক সার্টার খুলে ব্যবসা পরিচালনা করা হয়, বা বাজারে এতো মানুষের সমাগম হয় তাহলে কঠোর লকডাউন কোনটা’? মোবাইল কোর্টের গাড়ি দেখে দোকানের সার্টার নামিয়ে ভিতর বসে বেচাকেনা করেও শেষ রক্ষা হলোনা। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফুর রহমান। আদালত পরিচলনায় সহযোগিতা করেন র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটিলিয়ন(র্যাবের)—১১। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী বিকেল তিনটার মধ্যে সকল দোকান পাঠের বেচাকেনা শেষ করতে হবে।দোকানদারেরা লুকোচুরি খেলছে। যারা অমান্য করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।নিয়মিত মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত থাকবে।



Post Comment