সুবর্ণচরে গরুর হাটে উপচে পড়া ভিড়,মাস্ক ব্যবহারে অনীহা
প্রতিনিধি,সুবর্ণচর,নোয়াখালী ::
স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার শর্তে সরকার বিধিনিষেধ শিথিল করার ঘোষণা দেন। নির্ধারিত দূরত্ব বজায় রেখে ক্রেতা-বিক্রেতা হাটে প্রবেশ করার কথা থাকলেও তার তোয়াক্কা করছেনা অনেকেই। হাটে প্রবেশের বাম পাশে হাসিল কাটা বুথে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা থাকলেও ক্রেতাদের তেমন হাত পরিস্কার করতে দেখা যায়নি। অনেকের মুখে মাস্ক নেই , মাস্ক ছাড়াই চলছে পশু বেচাকেনা। আবার কেউ কেউ মুখের মাস্ক গলায় ঝুলিয়ে রেখেছেন।
গতকাল শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের হারিছ চৌধুরীর বাজার চরজব্বার ডিগ্রী কলেজ মাঠে সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়,হাটে অনেক মানুষের আনা ঘোনা রয়েছে। কেউ গরু কিনতে আবার কেউ গরু দেখতে হাটে এসেছে। নির্ধারিত সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।অনেকের মুখে মাস্ক নেই। হাতে হ্যান্ডস গ্লাভস থাকার কথা থাকলেও কারো হাতে দেখা যায়নি।মুখের মাস্ক গলায় ঝুলিয়ে রেখেছেন।
মাঠের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত পশু আর মানুষে কানায় কানায় ভরা।
চরজুবিলী এলাকার বাসিন্দা ছানা উল্যাহ বলেন, আমার বাড়ির পাশে এই পশুর হাট। কয়েকটি পশু দেখেছি এখনো পছন্দ করতে পারিনি। পশু পছন্দ হলেও বাজেটের তুলনায় দর দামে মিলছে না আবার দামও কিছুটা চড়া মনে হচ্ছে।
চরজুবিলীর বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষক কবির আহমেদ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কোরবানির পশু ক্রয় করার জন্য আসেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। এখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বেচাকেনার কথা থাকলেও তা কেউ মানছে না। ফলে এই হাটে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে।
হাটের ইজারাদার বেলাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রশাসনের নির্দেশ মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু হাট বসেছে। সুশৃংখলভাবে ক্রেতারা প্রবেশ করেছে।
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) চৈতী সর্ববিদ্যা বলেন,পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি ও সকল নির্দেশনা মেনে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলতে পারবে। পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চি করতে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



Post Comment