সুবর্ণচরে প্রবাসীর জমি জবরদখলের অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি:


নোয়াখালী সুবর্ণচরে প্রবাসী জাকির ইসলামের মালিকানাধীন জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে।

 

সে উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড কেরামতপুর গ্রামের মৃত মো: সফি আলমের ছেলে।

 

ভুক্তভোগী জানান, উল্লেখিত ইউনিয়নের কেরামতপুর মৌজার দিয়ারা খতিয়ান ২৬৫ এর বিএস খতিয়ান ২৯০। এবং ১৩৬৩ খতিয়ানের ১৫০৯৫ ও ১৫০৯৬ দাগের আন্দরে ৫১ শতাংশ জমি খরিদসুত্রে মালিক জাকির ইসলাম নামে আমার অন্তর্ভূত রয়েছে।

 

উক্ত জমি ১৫০৯৬ দাগের আন্দরের মধ্যে ১২ শতাংশ জমি বসত বাড়ী নির্মান করার জন্য ভরাটও করেছি।

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী একই গ্রামের পিতা মৃত মো: ফজলুল হকের ছেলে আহসান উল্যাহ, মৃত মো: আব্দুল খালেকের ছেলে মাহফুজুল হক ও সাহাব হদ্দার, মৃত সুলতান আহমেদের ছেলে মো: বেলায়েত হোসেন। জামাল উদ্দিন মানিকের ছেলে মো: বেচু, মো: শেখ ফরিদের ছেলে মো: বাবলু, মৃত ফজলুল হকের ছেলে সাকু, সাহাব সদ্দারের ছেলে মো: মধু’সহ এরা অবৈধভাবে জোর পুর্বক জবরদখল করার পায়তারা করে আসছে।

 

ভুক্তভোগীর ছোট ভাই মো: এজার ইসলাম জানান, গত ২৬ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮ টার সময় জমিদখলকারীগন ও আরো অজ্ঞাতনামা ভাড়াটিয়া সন্ত্রসী নিয়ে অবৈধভাবে জমিতে জোর পূর্বক বাড়ী স্থাপন করার চেষ্টা করছে।

 

এভাবে জমি দখলের কাজে বাঁধা দেওয়ায় তারা আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এর পেক্ষিতে চরজব্বার থানায় একটি লিখিত করেছি।

 

এমতাবস্থায় আইন-শৃঙ্খলার মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটার সম্ভাবনা থাকায় অভিযোগকারী প্রকৃত ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে সঠিকভাবে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

চরজব্বর থানা (সোলাইমান বাজার পাড়ি থানা) এর (এএসআই) মো: আক্তার হোসেন জানান, এই ঘটনায় দুই পক্ষের কাজ বর্তমানে স্থগিত রেখেছি। চলতি মাসের ১০ তারিখে স্থানিয় ভাবে বসে সমাধান করবে। এটিকে উপেক্ষা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Post Comment

You May Have Missed

error: অনুমতি ছাড়া লিখা ও ছবি নকল করা নিষেধ