পদোন্নতি পেয়ে সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন সাইফুল্যাহ কামরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক নোয়াখালী::
পদোন্নতি পেয়ে সময় টেলিভিশনের নোয়াখালী প্রতিনিধি থেকে স্টাফ রিপোর্টার হলেন সাইফুল্যাহ কামরুল।
গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই পদোন্নতি কার্যকর হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহমেদ যুবায়ের স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সাংবাদিকতায় সাইফুল্যাহ কামরুলের রয়েছে বর্ণিল ক্যারিয়ার, ১৯৯১ সালে চট্টগ্রামের বহুল প্রচারিত জনপ্রিয় দৈনিক পূর্বকোন পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন তিনি।
পরবর্তীতে দৈনিক ইনকিলাব, দেশের সর্বপ্রথম নিউজ চ্যানেল সিএসবি নিউজ, দিগন্ত টেলিভিশন, ফোকাসবাংলা নিউজ, সাপ্তাহিক চলমান নোয়াখালীর নিবাহী সম্পাদক, রেডিও আমার, সময় টেলিভিশনে প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে নোয়াখালী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি দৈনিক আমাদের সময়েও একই পদে আছেন তিনি।
সাইফুল্যাহ কামরুল নোয়াখালী চৌমুহনী প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক এবং পর পর দুই সেশন সাধারণ সম্পাদক ও দুই সেশন সভাপতি ছিলেন।
পরবর্তীতে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন নোয়াখালী শাখার সভাপতি ছিলেন। চৌমুহনী প্রি ক্যাডেট একাডেমি ও এন চৌধুরী ট্যালেন্ট্য প্রিপারেটরি স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকও তিনি।
আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এপেক্স ক্লাব অব নোয়াখালীর সাবেক সভাপতি ও জাতীয় সম্প্রসারণ পরিচালক (এনইডি) ছিলেন কামরুল।
তার নেতৃত্বে দীর্ঘ ৩২ বছর পর এপেক্স ক্লাব অব নোয়াখালী ২০১৪ সালে সারা বাংলাদেশের ১০৪টি ক্লাবের মধো শ্রেষ্ঠ ক্লাব এবং তিনি শ্রেষ্ঠ ক্লাব প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নোয়াখালীর আজীবন সদস্য, নোয়াখালী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্য।
সাইফুল্যাহ কামরুলের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে নোয়াখালী বজরা ইউনিয়নে বদরপুরের চৌমুহনী সরকারি এস এ কলেজের ছাত্র আব্দুর রব হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, র্যাবের জালে যে ভাবে আটকা পড়ল কুখ্যাত জলদস্যু বাসার মাঝি ও সময় টেলিভিশনে প্রচারিত পুলিশের সহযোগিতায় নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে কিশোর মিলনকে ডাকাত সাজিয়ে গণপিটুনির দিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটনের নিউজটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
তিনি ২০০৮ সালে আলোকিত ফেনী ফটো পুরস্কারে প্রথম স্থান অর্জন করেন। মিলন হত্যাকাণ্ডের প্রতিবেদনের জন্য ২০১১ সালে বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পান।
তিনি বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানত পুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আবদুস সাত্তার চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক ছিলেন। বিবাহিত জীবনে দুই কন্য ও এক ছেলের জনক কামরুল। স্ত্রী রিয়ান্তা সুলতানা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার পদে কর্মরত আছেন।
সাইফুল্যাহ কামরুল বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট, ম্যাস লাইন মিডিয়া সেন্টার, মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন, সময় টেলিভিশন, ম্যানেজমেন্ট এন্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিসিয়েটিভ (এম আর ডি আই)ও সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনে সাংবাদিকতা, মানবাধিকার, শিশু অধিকার ও সাইবার অপরাধ বিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।



Post Comment